আয়কর রিটার্ন জমার সময় আছে মাত্র ৭ দিন, কী করবেন
· Prothom Alo
আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ব্যক্তি করদাতারা আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। সময় আছে আর মাত্র সাত দিন। এর মধ্যে রিটার্ন জমার সব আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করতে হবে। এবার অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
তাই দেরি না করে এখনই রিটার্ন জমা দেওয়ার সব কাজ শেষ করে ফেলুন। এবার যেহেতু অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে হবে, তাই শুক্র ও শনিবারের মতো সাপ্তাহিক ছুটির ঝামেলা নেই। ঘরে বসেই অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। এনবিআরের রিটার্ন জমার অনলাইন সিস্টেম ঈদসহ সব ধরনের ছুটিতেও খোলা রাখা হয়েছে।
Visit tr-sport.bond for more information.
এর আগে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় তিন দফায় এক মাস করে বাড়ানো হয়েছিল। সাধারণত আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন থাকে ৩০ নভেম্বর। কিন্তু প্রতিবছর এনবিআর একাধিকবার এই রিটার্ন জমা দেওয়ার মেয়াদ বৃদ্ধি করে।
কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া এবার সবাইকে অনলাইনে রিটার্ন দিতে হবে। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশের প্রায় ১ কোটি ২০ লাখের বেশি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) আছেন। করযোগ্য আয় থাকলে টিআইএনধারীদের রিটার্ন দিতে হয়। এই পর্যন্ত ৪১ লাখ টিআইএনধারী রিটার্ন দিয়েছেন। ৫০ লাখের বেশি অনলাইনে রিটার্ন জমার জন্য নিবন্ধন নিয়েছেন।
অনলাইনে দেবেন কীভাবে
সব করদাতাকে রিটার্ন দিতে হলে এই ওয়েবসাইটে গিয়ে জমা দিতে হবে। এ জন্য প্রথমে নিবন্ধন নিতে হবে। নিবন্ধন নিয়ে পাসওয়ার্ড দিয়ে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আপনি আপনার রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন বা ই-রিটার্ন দিতে কোনো কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না। শুধু তথ্য দিলেই হবে। অনলাইনে রিটার্ন দেওয়ার সময় ঘরে বসেই কর দিতে পারবেন। যেমন ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।
শেষ সময়ের তাড়াহুড়া নয়
শেষ সময়ে রিটার্ন জমায় তাড়াহুড়া করবেন না। এতে ভুল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে আপনি কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানাসহ নানা ধরনের আইনি প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হতে পারবেন।
কী করবেন
শেষ সময়ে রিটার্ন জমার আগে কিছু করণীয় অনুসরণ করতে পারেন। যেমন—
১. সময়ের আগে আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রস্তুত রাখুন।
২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগেই সংগ্রহ করুন, যেন অনলাইন সহজেই তথ্য দিতে পারেন।
৩. অনলাইনে জমা দিলে আগে থেকেই লগইন ও তথ্য যাচাই করুন।
৪. অনলাইনে জমার আগে সব তথ্য আরেকবার যাচাই করুন।
৫. প্রয়োজন হলে কর পরামর্শকের সহায়তা নিন।